• Breaking News

    কাযা সালাত, কাযা সালাত আদায়ের পদ্ধতি, কাযা সালাত আদায়ের সঠিক সময়,

    কাযা সালাত আদায়ের পদ্ধতিঃ

    সালাতুল ইস্তেখারা,  সালাতুল ইস্তিস্কা,  সালাতুল চাশত,  সালাতুল হাজত,  সালাতুত তওবা,  সালাতুত তাসবী,  সালাতুল জোহা,  সফরের সালাত,  চন্দ্র ও সূর্য গ্রহনের সালাত, আদায়ের পদ্ধতিঃ
    ক্বাযা ছালাত আদায় করতে বিলম্ব করা এবং নিষিদ্ধ ওয়াক্ত শেষ হওয়ার অপেক্ষা করা :
    ক্বাযা ছালাত আদায় করতে দেরী করা এবং নিষিদ্ধ সময়ে ক্বাযা ছালাত আদায় করা যাবে না মর্মে যে ধারণা সমাজে চালু আছে তা ছহীহ হাদীছের বিরোধী। বরং যখনই স্মরণ হবে কিংবা ঘুম থেকে জাগ্রত হবে তখনই ধারাবাহিকভাবে ক্বাযা ছালাত আদায় করে নিবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, مَنْ نَسِىَ صَلاَةً أَوْ نَامَ عَنْهَا فَكَفَّارَتُهَا أَنْ يُصَلِّيَهَا إِذَا ذَكَرَهَا ‘কেউ ভুলে গেলে কিংবা ঘুমিয়ে গেলে তার কাফফারা হল, ঘুম ভাঙলে অথবা স্মরণ হলে সাথে সাথে ক্বাযা ছালাত আদায় করা’।[1] অন্য হাদীছে রাসূল (ছাঃ) বলেন,
    عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ  إِذَا أَدْرَكَ أَحَدُكُمْ سَجْدَةً مِنْ صَلاَةِ الْعَصْرِ قَبْلَ أَنْ تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَلْيُتِمَّ صَلاَتَهُ وَإِذَا أَدْرَكَ سَجْدَةً مِنْ صَلاَةِ الصُّبْحِ قَبْلَ أَنْ تَطْلُعَ الشَّمْسُ فَلْيُتِمَّ صَلاَتَهُ.
    আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যদি সূর্য ডুবার পূর্বে আছর ছালাত এক রাক‘আত পড়তে পারে তাহলে সে যেন তার ছালাত পূর্ণ করে নেয়। অনুরূপ কেউ যদি সূর্য উঠার পূর্বে ফজর ছালাতের এক রাক‘আত পড়তে পারে তাহলে সে যেন তার ছালাত পূর্ণ করে নেয়।[2]
    অতএব স্পষ্ট হল যে, ক্বাযা ছালাতের জন্য কোন নিষিদ্ধ ওয়াক্ত নেই।[3]  আর মূল ওয়াক্তে যেভাবে ছালাত আদায় করা হয় ঠিক ঐ নিয়মেই ছালাত আদায় করবে। যেমন খন্দকের যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছাহাবীদেরকে নিয়ে মাগরিবের পর যোহর, আছর, মাগরিব ও এশা এই চার ওয়াক্ত ছালাত এক আযান ও চারটি পৃথক ইক্বামতে পরপর জামা‘আতের সাথে আদায় করেন। উক্ত ছালাতগুলো স্ব স্ব ওয়াক্তে যেভাবে আদায় করতেন ঐ নিয়মেই আদায় করেন।[4]
    [1]. ছহীহ বুখারী হা/৫৯৭, ১/৮৪ পৃঃ, (ইফাবা হা/৫৬৯ ও ৫৭১, ২/৩৫-৩৬ পৃঃ), ‘ছালাতের ওয়াক্ত সমূহ’ অধ্যায়, ‘যে ব্যক্তি ছালাত ভুল করে’ অনুচ্ছেদ-৩৭; ছহীহ মুসলিম হা/১৫৯২, ১৫৯৮, ১৬০০, ১/২৩৮, ‘মসজিদ সমূহ’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৫৬; মিশকাত হা/৬০৩, ৬৮৪, ৬৮৭, ‘দেরীতে আযান’ অনুচ্ছেদ; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৬৩৬, ২/২১০ পৃঃ। [2]. বুখারী হা/৫৫৬, (ইফাবা হা/৫২৯, ২/১৮ পৃঃ); মিশকাত হা/৬০২; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৫৫৪, ২/১৭৮ পৃঃ, ‘তাড়াতাড়ি ছালাত আদায়’ অনুচ্ছেদ। [3]. আলবানী, মিশকাত হা/৬০২-এর টীকা দ্রঃ ১ম খন্ড, পৃঃ ১৯১। [4]. ছহীহ বুখারী হা/৫৯৬ ও ৫৯৮, ১/৮৪ পৃঃ, (ইফাবা হা/৫৬৯ ও ৫৭১, ২/৩৫-৩৬ পৃঃ), ‘ছালাতের সময়’ অধ্যায়, ‘ওয়াক্ত পার হয়ে যাওয়ার পর রাসূল (ছাঃ) জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করেছেন’ অনুচ্ছেদ-৩৬; ছহীহ মুসলিম হা/১৪৬২, ১/২২৭, ‘মসজিদ সমূহ’ অধ্যায়, অনুচ্ছেদ-৩৭; নাসাঈ হা/৬৬১ ও ৬৬২।
    কাযা নামাজ পড়ার নিয়ম,
    কাযা সালাত আদায়ের পদ্ধতি

    কোন মন্তব্য নেই