• Breaking News

    সৎ চরিত্রের গুনাবলি আদর্শবান পুরুষের বৈশিষ্ট

    সচ্চরিত্রতার মর্যাদা ও গুনাবলীঃ

    আবূ দারদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘কিয়ামতের দিন (নেকী) ওজন করার দাঁড়ি-পাল্লায় সচ্চরিত্রতার চেয়ে কোনো বস্তুই অধিক ভারী হবে না। আর আল্লাহ তা‘আলা অশ্লীল ও চোয়াড়কে অপছন্দ করেন।’’ (তিরমিযী, হাসান সূত্রে) [1]
    [1] তিরমিযী ২০০২, আবূ দাউদ ৪৭৯৯, আহমাদ ২৬৯৭১, ২৬৯৮৪, ২৭০০৫

    আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন্ আমল মানুষকে বেশি জান্নাতে নিয়ে যাবে?’ তিনি বললেন, ‘‘আল্লাহভীতি ও সচ্চরিত্র।’’ আর তাঁকে (এটাও) জিজ্ঞাসা করা হল যে, ‘কোন্ আমল মানুষকে বেশি জাহান্নামে নিয়ে যাবে?’ তিনি বললেন, ‘‘মুখ ও যৌনাঙ্গ (অর্থাৎ উভয় দ্বারা সংঘটিত পাপ)।’’ (তিরমিযী হাসান সহীহ সূত্রে) [1]
    [1] তিরমিযী ২০০৪, ইবনু মাজাহ ৪২৪৬, আহমাদ ৭৮৪৭, ৮৮৫২, ৯৪০৩

    উক্ত রাবী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকেই বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মু’মিনদের মধ্যে সে ব্যক্তি পূর্ণ মু’মিন, যে তাদের মধ্যে চরিত্রের দিক দিয়ে সুন্দরতম। আর তোমাদের উত্তম ব্যক্তি তারা, যারা তাদের স্ত্রীদের নিকট উত্তম।’’ (তিরমিযী হাসান সহীহ সূত্রে) [1]
    [1] তিরমিযী ১১৬২, আহমাদ ৭৩৫৪, ৯৭৫৬, ১০৪৩৬, দারেমী ২৭৯২
    আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রকৃত সচ্চরিত্রবান ব্যক্তিই সর্বোত্তম মু’মিনদের অন্তর্ভুক্ত। আর তোমাদের মধ্যে উত্তম ঐ ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। (তিরমিযী)[1]

    ইমাম তিরমিযী (রহঃ) বলেন, হাদীসটি হাসান ও সহীহ হাদীস। আবূ দাঊদ ‘সর্বোত্তম ব্যবহার’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।
    [1] হাসান : তিরমিযী ১১৬২, আবূ দাঊদ ৪৬৮২, আহমাদ ৭৪০২, সহীহাহ্ ২৮৪, সহীহ আল জামি‘ ১২৩২, সহীহ আত্ তারগীব ১৯২৩।

    আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আদম-সন্তান এমন কোন কাজ করেনি, যা নামায, সদ্ভাব প্রতিষ্ঠা ও সচ্চরিত্রতা থেকে অধিক শ্রেষ্ঠ হতে পারে।’’ (বুখারী তারীখ, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ১১০৯১, সিঃ সহীহাহ ১৪৪৮)

    আনাস (রাঃ) (ও ইবনে আব্বাস (রাঃ)) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘প্রত্যেক ধর্মে সচ্চরিত্রতা আছে, ইসলামের সচ্চরিত্রতা হল লজ্জাশীলতা।’’ (ইবনে মাজাহ ৪১৮১-৪১৮২, সহীহুল জামে ২১৪৯)

    আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, ‘‘অবশ্যই মু’মিন তার সদাচারিতার কারণে দিনে (নফল) রোযাদার এবং রাতে (নফল) ইবাদতকারীর মর্যাদা পেয়ে থাকে।’’ (আবু দাউদ ৪৮০০, সহীহ সূত্রে)

    ইমাম তিরমিযী আব্দুল্লাহ বিন মুবারক (রাহিমাহুল্লাহ) হতে সচ্চরিত্রতার ব্যাখ্যা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, ‘তা হল, সর্বদা হাসিমুখ থাকা, মানুষের উপকার করা এবং কাউকে কষ্ট না দেওয়া।’ (তিরমিযী ২০০৫)

    উসামাহ বিন শারীক (রাঃ) বলেন, লোকেরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করল, ‘হে আল্লাহর রসূল! মানুষকে দেওয়া দানসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দান কী দেওয়া হয়েছে?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘‘সুন্দর চরিত্র।’’ (আহমাদ ১৮৪৫৪, ইবনে হিব্বান ৬০৬১, হাকেম ৪১৬, বাইহাক্বী ২০০৪৩, সঃ তারগীব ২৬৫২)


    আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘অবশ্যই মু’মিন তার সদাচারিতার কারণে দিনে (নফল) রোযাদার এবং রাতে (নফল) ইবাদতকারীর মর্যাদা পেয়ে থাকে।’’ (আবু দাউদ)  [1]
    [1] আবূ দাউদ ৪৭৯৮, আহমাদ ২৩৮৩৪, ২৪০৭৪

    আবূ উমামাহ বাহেলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য জান্নাতের শেষ সীমায় একটি ঘর দেওয়ার জন্য জামিন হচ্ছি, যে সত্যাশ্রয়ী হওয়া সত্ত্বেও কলহ-বিবাদ বর্জন করে। সেই ব্যক্তির জন্য আমি জান্নাতের মধ্যস্থলে একটি ঘরের জামিন হচ্ছি, যে উপহাসছলেও মিথ্যা বলা বর্জন করে। আর সেই ব্যক্তির জন্য আমি জান্নাতের সবচেয়ে উঁচু জায়গায় একটি ঘরের জামিন হচ্ছি, যার চরিত্র সুন্দর।’’ (আবূ দাউদ) [1]
    [1] আবূ দাউদ ৪৮০০

    মুআয বিন জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আমি সেই ব্যক্তির জন্য একটি জান্নাতের পার্শ্বদেশে, একটি জান্নাতের মধ্যভাগে এবং অপর আর একটি জান্নাতের উপরিভাগে গৃহের জামিন হচ্ছি; যে ব্যক্তি সত্যাশ্রয়ী হওয়া সত্ত্বেও তর্ক পরিহার করে, উপহাসছলে হলেও মিথ্যা কথা বর্জন করে, আর নিজ চরিত্রকে সুন্দর করে।’’ (বাযযার, ত্বাবারানী ১৬৬৪১, সহীহ তারগীব ১৩৪)


    ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, ‘‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি সে, যে সবচেয়ে বেশী পরহেযগার। আর সবচেয়ে উচ্চ বংশীয় লোক সে, যার চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর।’’ (আল-আদাবুল মুফরাদ ৮৯৯)

    উসামাহ বিন শারীক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়তম বান্দা হল সেই, যার চরিত্র সুন্দর।’’ (ত্বাবারানী ৪৭৩, সহীহুল জামে ১৭৯)

    জাবের (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ সুন্দর, তিনি সৌন্দর্যকে পছন্দ করেন। তিনি সুউচ্চ চরিত্রকে ভালোবাসেন এবং ঘৃণা করেন নোংরা চরিত্রকে।’’ (ত্বাবারানীর আওসাত্ব ৬৯০৬, সহীহুল জামে ১৭৪৩)

    আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সব মানুষের চাইতে বেশি সুন্দর চরিত্রের ছিলেন।’ (বুখারী ৬২০৩, মুসলিম ৫৭৪৭)

    জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমাদের মধ্যে আমার প্রিয়তম এবং কিয়ামতের দিন অবস্থানে আমার নিকটতম ব্যক্তিদের কিছু সেই লোক হবে যারা তোমাদের মধ্যে চরিত্রে শ্রেষ্ঠতম। আর তোমাদের মধ্যে আমার নিকট ঘৃণ্যতম এবং কিয়ামতের দিন অবস্থানে আমার নিকট থেকে দূরতম হবে তারা; যারা ‘সারসার’ (অনর্থক অত্যধিক আবোল-তাবোল বলে যারা) ও ‘মুতাশাদ্দিক’ (বা আলস্যভরে টেনে টেনে কথা বলে যারা) এবং যারা ‘মুতাফাইহিক’ লোক; সাহাবায়ে কিরাম বললেন, ‘সারসার’ (অনর্থক কথাবার্তা যারা বলে) এবং মুতাশাদ্দিক (আলস্যভরে বা কায়দা করে টেনে-টেনে কথা বলে) তাদেরকে তো চিনলাম; কিন্তু ‘মুতাফাইহিক’ কারা? রাসূল বললেন, অহংকারীরা।’’ (তিরমিযী, হাসান) [1]

    ইমাম তিরমিযী আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক (রাহিমাহুল্লাহ) হতে সচ্চরিত্রতার ব্যাখ্যা বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, ‘তা হল, সর্বদা হাসিমুখ থাকা, মানুষের উপকার করা এবং কাউকে কষ্ট না দেওয়া।’

    [1] তিরমিযী ২০১৮

    উসামা ইবনে শরীক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উপস্থিত থাকা অবস্থায় বেদুইনরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলো, এতে কি আমাদের গুনাহ হবে, এতে কি আমাদের গুনাহ হবে? তিনি বলেনঃ আল্লাহর বানদাগণ! কোন কিছুতেই আল্লাহ গুনাহ রাখেননি, তবে যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের ইজ্জতহানি করে তাতেই গুনাহ হবে। তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা যদি (রোগীর) চিকিৎসা না করি তবে কি আমাদের গুনাহ হবে? তিনি বলেনঃ আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা চিকিৎসা করো। কেননা মহান আল্লাহ বার্ধক্য ছাড়া এমন কোন রোগ সৃষ্টি করেননি যার সাথে প্রতিষেধকেরও ব্যবস্থা করেননি (রোগও রেখেছেন, নিরাময়ের ব্যবস্থাও রেখেছেন)। তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বান্দাকে যা কিছু দেয়া হয় তার মধ্যে উত্তম জিনিস কী? তিনি বলেনঃ সচ্চরিত্র।

    তিরমিযী ২০৩৮, আবূ দাউদ ৩৮৫৫, আহমাদ ১৭৯৮৫, গায়াতুল মারাম ২৩৬, সহীহাহ ৪৩৩, মিশকাত ৪৫৩২, ৫০৭৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।

    উবাদাহ বিন স্বামেত (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমরা তোমাদের পক্ষ থেকে আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জামিন হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতর জামিন হয়ে যাব; কথা বললে সত্য বল, অঙ্গীকার করলে তা পালন কর, তোমাদের নিকটে কোন আমানত রাখা হলে তা আদায় কর, তোমাদের যৌনাঙ্গের হিফাযত কর, তোমাদের চক্ষুকে (অবৈধ কিছু দেখা হতে) অবনত রাখ, আর তোমাদের হাতকে (অন্যায় ও  অত্যাচার করা হতে) সংযত রাখ।’’ (আহমাদ ২২৭৫৭, ত্বাবারানী, ইবনে খুযাইমাহ, ইবনে হিব্বান,  হাকেম, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৪৭০)


    আবূ জুরাই জাবের বিন সুলাইম কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তুমি খবরদার কাউকে গালি দিয়ো না। যে কোনও ভালো কাজকে তুচ্ছজ্ঞান করো না। তোমার ভাইয়ের সাথে খুশীভরা চেহারা নিয়ে কথা বল, এটিও একটি ভালো কাজ। তোমার লুঙ্গি পায়ের রলার অর্ধাংশে উঠিয়ে পর। তা যদি অস্বীকার কর, তাহলে গাঁট পর্যন্ত নামিয়ে পর। আর সাবধান! লুঙ্গি গাঁটের নিচে ঝুলিয়ে পরো না। কারণ তা অহংকারের আলামত। পরন্তুআল্লাহ অবশ্যই অহংকার পছন্দ করেন না। যদি কোন লোক তোমাকে গালি দেয় এবং এমন দোষ ধরে তোমাকে লজ্জা দেয়, যা তোমার মধ্যে আছে বলে সে জানে, তাহলে তুমি তাকে এমন দোষ ধরে লজ্জা দিয়ো না, যা তার মধ্যে আছে বলে তুমি জান। তার বোঝা সেই বহন করুক।’’ (আবূ দাঊদ ৪০৮৬, সহীহুল জামে’ ৭৩০৯)

    আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, সে দোযখ থেকে নিস্তার লাভ করে জান্নাত প্রবেশ করবে সে ব্যক্তির জন্য উচিত, যেন তার মৃত্যু তার কাছে সেই সময় আসে, যে সময় সে আল্লাহতে ও পরকালে ঈমান রাখে। আর লোকেদের সাথে সেইরূপ ব্যবহার করে যেরূপ ব্যবহার সে নিজের জন্য পছন্দ করে।’’ (মুসলিম ৪৮৮২)

    আব্দুল্লাহ বিন আমর (রাঃ) বলেন, একদা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ লোক কে?’ উত্তরে তিনি বললেন, ‘‘সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ লোক হল সেই, যার হৃদয় হল পরিষ্কার এবং জিভ হল সত্যবাদী।’’ জিজ্ঞাসা করা হল, ‘পরিষ্কার হৃদয়ের অর্থ কী?’ বললেন, ‘‘যে হৃদয় সংযমশীল, নির্মল, যাতে কোন পাপ নেই, অন্যায় নেই, ঈর্ষা ও হিংসা নেই।’’ জিজ্ঞাসা করা হল, ‘তারপর কে?’ বললেন, ‘‘যে দুনিয়াকে ঘৃণা করে এবং আখেরাতকে ভালোবাসে।’’ জিজ্ঞাসা করা হল, ‘তারপর কে?’ বললেন, ‘‘সুন্দর চরিত্রের মুমিন।’’ (ইবনে মাজাহ ৪২১৬, সহীহুল জামে ৩২৯১)

    আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘দু’টি স্বভাব কোন মুনাফিকের ভিতরে জমা হতে পারে না; না সুন্দর চরিত্র, আর না দ্বীনী জ্ঞান।’’ (তিরমিযী ২৬৮৪, সহীহুল জামে’ ৩২২৯)

    সৎ চরিত্রের মর্যাদা,
    উওম চরিত্রের গুনাবলী,

    সূরা আল হাশর:7 - রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা। সূরা মুহাম্মদ:33 - হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।

    No comments