• Breaking News

    আল্লাহর ভয়ে কান্না করার ফযিলত, আল্লাহভিতির ফযিলত,

    আল্লাহকে ভয় করার উপকারিতা, ঐ চক্ষু জাহান্নামে যাবেনা যে চক্ষু আল্ললাহর ভয়ে কাঁদেঃ

    আল্লাহ তা‘আলা বলেন, وَيَخِرُّوْنَ لِلْأَذْقَانِ يَبْكُوْنَ وَيَزِيْدُهُمْ خُشُوْعًا ‘আর তারা কাঁদতে কাঁদতে নত মুখে লুটিয়ে পড়ে এবং কান্নার শব্দ শুনে তাদের নিবিড় আনুগত্য আরো বৃদ্ধি পায়’ (ইসরা ১০৯)।

    আল্লাহ অন্যত্র বলেন, أَفَمِنْ هَذَا الْحَدِيْثِ تَعْجَبُوْنَ، وَتَضْحَكُوْنَ وَلَا تَبْكُوْنَ، وَأَنْتُمْ سَامِدُوْنَ، فَاسْجُدُوْا لِلَّهِ وَاعْبُدُوْا- ‘তোমরা ক্বিয়ামতের বিভীষিকাময় কথা শুনে আশ্চর্য হচ্ছ, হাসছ অথচ কাঁদছ না? আর গান-বাজনায় মত্ত হয়ে এসব এড়িয়ে যাচ্ছ। আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য ধুলায় লুটিয়ে পড় এবং তাঁর ইবাদতে মগ্ন হও’ (নাজম ৫৯-৬২)।

    وعن أبي هريرة رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لا يلج النار رجل بكى من خشية الله حتى يعود اللبن في الضرع، ولا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جهنم ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح
    আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
    রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘সে ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে ক্রন্দন করেছে, যতক্ষণ না (দোহনকৃত) দুধ বাঁটে ফিরে যাবে। (অর্থাৎ দু’টোই অসম্ভব)। আর আল্লাহর রাস্তার ধুলো ও জাহান্নামের ধোঁয়া একত্রিত হবে না।’’ (তিরমিযী, হাসান সহীহ)  [১]
    [১] তিরমিযী ১৬৩৩, ২৩১১, নাসায়ী ৩১০৭, ৩১০৮, ৩১০৯, ৩১১০, ১৩১১১, ৩১১২, ইবনু মাজাহ ২৭৭৪, আহমাদ ১০১৮২
    وعن ابن عباس رضي الله عنه رضي الله عنهما، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يقول: «عينان لا تمسهما النار: عين بكت من خشية الله، وعين باتت تحرس في سبيل الله». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن
    ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
    তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, “দুই প্রকার চক্ষুকে জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে না। আল্লাহর ভয়ে যে চক্ষু ক্রন্দন করে। আর যে চক্ষু আল্লাহর পথে প্রহরায় রত থাকে।” তিরমিযী ১৬৩৯, রিয়াদুস সলেহিন, হাদিস নং ১৩১৩
    وعن عقبة بن عامر رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما النجاة ؟ قال: «أمسك عليك لسانك، وليسعك بيتك، وابك على خطيئتك» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن
    উক্ববাহ ইবনে আমের (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
    তিনি বলেন, আমি নিবেদন করলাম, ‘হে আল্লাহর রসূল! কিসে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব?’ তিনি বললেন, “তুমি নিজ রসনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখ। তোমার ঘর তোমার জন্য প্রশস্ত হোক। (অর্থাৎ, অবসর সময়ে নিজ গৃহে অবস্থান কর।) আর নিজ পাপের জন্য ক্রন্দন কর।”
    (তিরমিযী ২৪০৬) রিয়াদুস সলেহিন, হাদিস নং ১৫২৮
    عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَيْنَانِ لاَ تَمَسُّهُمَا النَّارُ عَيْنٌ بَاتَتْ تَكْلَأُ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ وَعَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشِيَةِ اللهِ
    আনাস (রাঃ) ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘দুই শ্রেণীর চক্ষু জাহান্নাম দেখবে না। ১. যে চক্ষু আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দেয়। ২. যে চক্ষু আল্লাহর ভয়ে কাঁদে’ (আত-তারগীব হা/৪৭১১)।
    عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ حَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلاَثَةٌ لاَ تَرَى أَعْيُنُهُمْ النَّارَ عَيْنٌ حَرَسَتْ فِيْ سَبِيْلِ اللهِ وَعَيْنٌ بَكَتْ مِنْ خَشِيَةِ اللهِ وَعَيْنٌ كَفَتْ عَنْ مَحَارِمِ اللهِ.
    মু‘আবিয়া ইবনু হায়দা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘তিন শ্রেণীর মানুষ রয়েছে যাদের চক্ষু জাহান্নাম দেখবে না। এক. যারা আল্লাহর রাস্তায় পাহারা দেয়। দুই. যারা আল্লাহর ভয়ে কাঁদে। তিন. যারা বেগানা নারীকে দেখে চক্ষু নীচু করে’ (আত-তারগীব হা/৪৭১৩)।
    عَنْ أَبِى أُمَامَةَ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ شَىْءٌ أَحَبَّ إِلَى اللهِ مِنْ قَطْرَتَيْنِ وَأَثَرَيْنِ قَطْرَةٌ مِنْ دُمُوعٍ فِى خَشْيَةِ اللهِ وَقَطْرَةُ دَمٍ تُهَرَاقُ فِى سَبِيلِ اللهِ. وَأَمَّا الأَثَرَانِ فَأَثَرٌ فِى سَبِيلِ اللهِ وَأَثَرٌ فِى فَرِيضَةٍ مِنْ فَرَائِضِ اللهِ.

    আবু ওমামা বাহেলী (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘আল্লাহর নিকট দু’টি ফোটা বা বিন্দু এবং দু’টি চিহ্নের চেয়ে প্রিয় কিছু নেই। ১.আল্লাহর ভয়ে চক্ষু হতে প্রবাহিত পানির ফোঁটা। ২. আল্লাহর রাস্তায় প্রবাহিত রক্তের ফোঁটা। আর প্রিয় চিহ্ন হচ্ছে আল্লাহর পথে জখমের চিহ্ন এবং আল্লাহর ফরয আদায় করতে করতে পায়ে বা কপালের চিহ্ন’ (তিরমিযী, আত-তারগীব হা/৪৭১৭)

    إبراهيم بن موسى أخبرنا هشام هو ابن يوسف عن معمر عن همام عن أبي هريرة قال قال أبو القاسم صلى الله عليه وسلم والذي نفس محمد بيده لو تعلمون ما أعلم لبكيتم كثيرا ولضحكتم قليلا

    আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
    তিনি বলেন, আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যাঁর হাতে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর প্রাণ ঐ সত্তার কসম! আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তাহলে তোমরা অবশ্যই কাঁদতে বেশি আর হাসতে কম। সহিহ বুখারী,  ৬৬৩৭

    محمد أخبرنا عبدة عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه قال يا أمة محمد والله لو تعلمون ما أعلم لبكيتم كثيرا ولضحكتم قليلا


    আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
    আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্নিত। তিনি বলেছেনঃ হে উম্মাতে মুহাম্মাদী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র শপথ! আমি যা জানি যদি তা তোমরা জানতে তবে অবশ্যই তোমরা হাসতে কম আর কাঁদতে বেশি। সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৬৩১


    محمد بن سلام أخبرنا عبد الله عن عبيد الله بن عمر عن خبيب بن عبد الرحمٰن عن حفص بن عاصم عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال سبعة يظلهم الله يوم القيامة في ظله يوم لا ظل إلا ظله إمام عادل وشاب نشأ في عبادة الله ورجل ذكر الله في خلاء ففاضت عيناه ورجل قلبه معلق في المسجد ورجلان تحابا في الله ورجل دعته امرأة ذات منصب وجمال إلى نفسها قال إني أخاف الله ورجل تصدق بصدقة فأخفاها حتى لا تعلم شماله ما صنعت يمينه.

    আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
    নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাত রকমের লোক, যাদেরকে আল্লাহ্‌  ক্বিয়ামাতের দিন তাঁর ছায়ায় আশ্রয় দেবেন, যেদিন তাঁর ছায়া ছাড়া অন্য কোন ছায়া হবে না। ১. ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ্‌; ২. আল্লাহ্‌র ‘ইবাদাতে লিপ্ত যুবক; ৩. এমন যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌কে নির্জনে স্মরণ করে আর তার চোখ দু’টি অশ্রুসিক্ত হয়; ৪. এমন ব্যক্তি যার অন্তর মাসজিদের সঙ্গে লেগে থাকে; ৫. এমন দু’ব্যক্তি যারা আল্লাহ্‌র উদ্দেশে পরস্পর ভালোবাসা রাখে; ৬. এমন ব্যক্তি যাকে কোন সম্ভ্রান্ত রূপসী নারী নিজের দিকে ডাকল আর সে বলল, আমি আল্লাহ্‌কে ভয় করি; ৭.এমন ব্যক্তি যে সদাকাহ করল আর এমনভাবে করল যে, তার বাম হাত জানে না যে তার ডান হাত কী করে। সহিহ বুখারী,  ৬৮০৬, মুসলিম ১০৩১,


    আবূ আব্দুর রহমান আব্দুল্লাহ ইবনু উমার ইবনু খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের পূর্বে (বানী ইসরাঈলের যুগে) তিন ব্যক্তি একদা সফরে বের হল। চলতে চলতে রাত এসে গেল। সুতরাং তারা রাত কাটানোর জন্য একটি পর্বত-গুহায় প্রবেশ করল। অল্পক্ষণ পরেই একটা বড় পাথর উপর থেকে গড়িয়ে নীচে এসে গুহার মুখ বন্ধ করে দিল। এ দেখে তারা বলল যে, ‘এহেন বিপদ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে এই যে, তোমরা তোমাদের নেক আমলসমূহকে অসীলা বানিয়ে আল্লাহর কাছে দো‘আ কর।’ সুতরাং তারা সব সব আমলের অসীলায় (আল্লাহর কাছে) দো‘আ করতে লাগল।

    তাদের মধ্যে একজন বলল, ‘‘হে আল্লাহ! তুমি জান যে, আমার অত্যন্ত বৃদ্ধ পিতা-মাতা ছিল এবং (এও জান যে,) আমি সন্ধ্যা বেলায় সবার আগে তাদেরকে দুধ পান করাতাম। তাদের পূর্বে স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও কৃতদাস-দাসী কাউকে পান করাতাম না। একদিন আমি গাছের খোঁজে দূরে চলে গেলাম এবং বাড়ী ফিরে দেখতে পেলাম যে পিতা-মাতা ঘুমিয়ে গেছে। আমি সন্ধ্যার দুধ দহন করে তাদের কাছে উপস্থিত হয়ে দেখলাম, তারা ঘুমিয়ে আছে। আমি তাদেরকে জাগানো পছন্দ করলাম না এবং এও পছন্দ করলাম না যে, তাদের পূর্বে সন্তান-সন্ততি এবং কৃতদাস-দাসীকে দুধ পান করাই। তাই আমি দুধের বাটি নিয়ে তাদের ঘুম থেকে জাগার অপেক্ষায় তাদের শিয়রে দাঁড়িয়ে থাকলাম। অথচ শিশুরা ক্ষুধার তাড়নায় আমার পায়ের কাছে  চেঁচামেচি করছিল। এভাবে ফজর উদয় হয়ে গেল এবং তারা জেগে উঠল। তারপর তারা নৈশদুধ পান করল। হে আল্লাহ! আমি যদি এ কাজ তোমার সন্তুষ্টি বিধানের জন্য করে থাকি, তাহলে পাথরের কারণে আমরা যে গুহায় বন্দী হয়ে আছি এ থেকে তুমি আমাদেরকে উদ্ধার কর।’’

    এই দো‘আর ফলস্বরূপ পাথর একটু সরে গেল। কিন্তু তাতে তারা বের হতে সক্ষম ছিল না।

    দ্বিতীয়-জন দো‘আ করল, ‘‘হে আল্লাহ! আমার একটি চাচাতো বোন ছিল। সে আমার নিকট সকল মানুষের চেয়ে প্রিয়তমা ছিল। (অন্য বর্ণনা অনুযায়ী) আমি তাকে এত বেশী ভালবাসতাম, যত বেশী ভালবাসা পুরুষরা নারীদেরকে বাসতে পারে। একবার আমি তার সঙ্গে যৌন মিলন করার ইচ্ছা করলাম। কিন্তু সে অস্বীকার করল। পরিশেষে সে যখন এক দুর্ভিক্ষের কবলে পড়ল, তখন সে আমার কাছে এল। আমি তাকে এই শর্তে ১২০ দিনার (স্বর্ণমুদ্রা) দিলাম, যেন সে আমার সঙ্গে যৌন-মিলন করে। সুতরাং সে (অভাবের তাড়নায়) রাজী হয়ে গেল। অতঃপর যখন আমি তাকে আয়ত্তে পেলাম। (অন্য বর্ণনা অনুযায়ী) যখন আমি তার দু’পায়ের মাঝে বসলাম, তখন সে বলল, তুমি আল্লাহকে ভয় কর এবং  অবৈধভাবে (বিনা বিবাহে) আমার পবিত্রতা নষ্ট করো না। সুতরাং আমি তার কাছ থেকে দূরে সরে গেলাম; যদিও সে আমার একান্ত প্রিয়তমা ছিল এবং যে স্বর্ণমুদ্রা আমি তাকে দিয়েছিলাম তাও পরিত্যাগ করলাম। হে আল্লাহ! যদি আমি এ কাজ তোমার সন্তুষ্টির জন্য করে থাকি, তাহলে তুমি আমাদের উপর পতিত মুসীবতকে দূরীভূত কর।’’

    সুতরাং পাথর আরো কিছুটা সরে গেল। কিন্তু তাতে তারা বের হতে সক্ষম ছিল না।

    তৃতীয়জন দো‘আ করল, ‘‘হে আল্লাহ! আমি কিছু লোককে মজুর রেখেছিলাম। (কাজ সুসম্পন্ন হলে) আমি তাদের সকলকে মজুরী দিয়ে দিলাম। কিন্তু তাদের মধ্যে একজন মজুরী না নিয়ে চলে গেল। আমি তার মজুরীর টাকা ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করলাম। (কিছুদিন পর) তা থেকে প্রচুর অর্থ জমে গেল। কিছুকাল পর একদিন সে এসে বলল, ‘হে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার মজুরী দিয়ে দাও।’ আমি বললাম, ‘এসব উঁট, গাভী, ছাগল এবং গোলাম (বাঁদি) যা তুমি দেখছ তা সবই তোমার মজুরীর ফল।’ সে বলল, ‘হে আল্লাহর বান্দা! তুমি আমার সঙ্গে উপহাস করবে না।’ আমি বললাম, ‘আমি তোমার সঙ্গে উপহাস করিনি (সত্য ঘটনাই বর্ণনা করছি)।’ সুতরাং আমার কথা শুনে সে তার সমস্ত মাল নিয়ে চলে গেল এবং কিছুই ছেড়ে গেল না। হে আল্লাহ! যদি আমি এ কাজ একমাত্র তোমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য করে থাকি, তাহলে যে বিপদে আমরা পড়েছি তা তুমি দূরীভূত কর।’’ এর ফলে পাথর সম্পূর্ণ সরে গেল এবং সকলেই (গুহা থেকে) বের হয়ে চলতে লাগল।[1]
    [1] সহীহুল বুখারী ২২১৫, ২২৭২, ২৩৩৩, ৩৪৬৫, ৫৯৭৪, মুসলিম ২৭৪৩, আবূ দাউদ ৩৩৮৭, আহমাদ ৫৯৩৭

    আল্লাহর উপর ভরসা করার ফযিলত–আল্লাহ ভরসার গুরুত্ব,  

    আল্লাহকে ভয় করার ফযিলত,
    আল্লাহকে ভয় করুন

    যে লোক সৎকাজের জন্য কোন সুপারিশ করবে, তা থেকে সেও একটি অংশ পাবে। আর যে লোক সুপারিশ করবে মন্দ কাজের জন্যে সে তার বোঝারও একটি অংশ পাবে। বস্তুতঃ আল্লাহ সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। সূরা আন নিসা:85 আপনিও একটি অংশ পেতে হলে পোষ্টটি শেয়ার করুন ৷

    কোন মন্তব্য নেই