Aug 24, 2017

ক্রোধ বা রাগ করা থেকে বাচার উপায়,

Posted On 7:59:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


ক্রোধ থেকে বেঁচে থাকা:


সকল বিপদে সবর বা ধৈর্য্য ধারন করার গুরুত্ব ও ফযিলত, সবর বা ধৈর্য ধারন করার মহাত্মা,

Posted On 3:59:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


সকল বিপদে সবর বা ধৈর্য্য ধারন করার গুরুত্ব ও ফযিলত:


Aug 21, 2017

আসাদুল্লাহ্‌ আল গালিব এর সকল বই ডাউনলোড, Asadullah al galib pdf books download,

Posted On 7:58:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


 আসাদুল্লাহ্‌ আল গালবি এর সকল বই ডাউনলোড: 
  1.  সালাতুর রাসূল (ছা:)             Download
  2.  নবীদের কাহিান-1 :               Download 
  3.  নবীদের কাহিান-2                Download 
  4. ছবি ও মূর্তি   :                      Download 
  5. তাফসিরুল কুরআন:              Download 
  6. সবে বরাত :                         Download 
  7. উদাত্ত আহবান :                    Download 
  8. তালাক ও তাহলিল :              Download 
  9. ইকামতে দীন পথ ও পদ্ধতি :  Download    
 সকল সহিহ হাদিস ডাউনলোড করুন একসাথে : Download
 আসাদুল্লাহ্‌ আল গালবি এর সকল বই ডাউনলোড,


সূরা আল হাশর:7 - রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা। সূরা মুহাম্মদ:33 - হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।


মৃতের জন্য মাতম করে কাঁদা জায়েজ নয়, মৃত ব্যক্তির জন্য মাতম করা জায়েয নয়,

Posted On 4:05:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


মৃত্যের জন্য মাতম করে কাঁদা, গাল চাপড়ানো, বুকের কাপড় ছিঁড়া, চুল ছেঁড়া, মাথা নেড়া করা ও সর্বনাশ ও ধ্বংস ডাকা নিষিদ্ধঃ


নকল চুল ব্যবহার করা হারাম, মেয়েদের জন্য নকল চুল বা পরচুলা লাগানো হারাম, নকল চুল মাথায় লাগানো নাজায়েয,

Posted On 3:10:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


#মহিলাদের_পরচুলা_নকল_চুল_লাগানো_হারামঃ


Aug 16, 2017

আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ এর সকল বই ডাউনলোড, ডাউনলোড করুন আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ এর সকল বই, আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ এর সকল পিডিএফ বই ডাউনলোড,

Posted On 7:35:00 AM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ এর সকল বই ডাউনলোড:
সকল খন্ড সহিহ হাদিস  ডাউনলোড করুন একসাথে : Download
আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ এর সকল বই ডাউনলোড,



সূরা আল হাশর:7 - রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা। সূরা মুহাম্মদ:33 - হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।


Aug 14, 2017

সকল কাজ ডানদিক থেকে শুরু করা, যেকোন কাজ ডান দিক থেকে শুরু করতে হবে,

Posted On 12:58:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


সম্মান প্রদর্শনের স্থানে ডানকে অগ্রাধিকার দেওয়াঃ

সমস্ত ভাল ও সম্মানজনক কাজকর্মে ডান হাত ব্যবহার করা বা ডান দিককে অগ্রাধিকার দেওয়া উত্তম; যথাঃ ওযূ, গোসল, তায়াম্মুম, পোশাক পরা, জুতা, মোজা, পায়জামা পরা, মসজিদে প্রবেশ করা, দাঁতন করা, সুরমা লাগানো, নখকাটা, গোঁফ কাটা, বগলের লোম তোলা, চুল কামানো, নামায থেকে সালাম ফেরা, পানাহার করা, মুসাফাহ করা, হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করা, পায়খানা থেকে বের হওয়া, কোন জিনিস লেন-দেন করা ইত্যাদি। আর উক্ত কার্যাদির বিপরীত অন্যান্য কর্মসমূহে বাম হাত ব্যবহার বা বাম দিককে অগ্রাধিকার দেওয়া উত্তম। যেমন নাকঝাড়া, থুতু ফেলা, মসজিদ থেকে বের হওয়া, পোশাক, জুতা, মোজা, পায়জামা ইত্যাদি খোলা, পেশাব-পায়খানার পর ইস্তিঞ্জা (পানি বা ঢিল ব্যবহার) করা, ঘৃণিত কিছু স্পর্শ করা ইত্যাদি।

মহান আল্লাহ বলেছেন,

﴿ فَأَمَّا مَنۡ أُوتِيَ كِتَٰبَهُۥ بِيَمِينِهِۦ فَيَقُولُ هَآؤُمُ ٱقۡرَءُواْ كِتَٰبِيَهۡ ١٩ ﴾ [الحاقة: ١٩]

অর্থাৎ “সুতরাং যাকে তার আমলনামা তার ডান হাতে দেওয়া হবে সে বলবে, এই নাও, আমার আমলনামা পড়ে দেখ।” (সূরা হা-ক্কাহ ১৯ আয়াত)

তিনি বলেছেন,

﴿ فَأَصۡحَٰبُ ٱلۡمَيۡمَنَةِ مَآ أَصۡحَٰبُ ٱلۡمَيۡمَنَةِ ٨ وَأَصۡحَٰبُ ٱلۡمَشۡ‍َٔمَةِ مَآ أَصۡحَٰبُ ٱلۡمَشۡ‍َٔمَةِ ٩ ﴾ [الواقعة: ٨،  ٩]

অর্থাৎ “ডানওয়ালারা; কত ভাগ্যবান ডানওয়ালারা! আর বামওয়ালারা; কত হতভাগ্য বামওয়ালারা!” (সূরা ওয়াকিয়াহ ৮-৯ আয়াত)
বইঃ রিয়াযুস স্বা-লিহীন, অধ্যায়ঃ ২/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب), হাদিস নম্বরঃ ৭২৫

بَابُ اِسْتِحْبَابِ تَقْدِيْمِ اليَمِيْنِ فِيْ كُلِّ مَا هُوَ مِنْ بَابِ التَّكْرِيْمِ وَعَن عَائِشَة رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يُعْجِبُهُ التَّيَمُّنُ في شَأنِهِ كُلِّهِ: في طُهُورِهِ، وَتَرَجُّلِهِ، وَتَنَعُّلِهِ . متفقٌ عَلَيْهِ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমস্ত কাজে (যেমন) ওযূ করা, মাথা আঁচড়ানো ও জুতা পরা (প্রভৃতি সমস্ত ভাল) কাজে ডান দিক থেকে শুরু করা পছন্দ করতেন।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ اِسْتِحْبَابِ تَقْدِيْمِ اليَمِيْنِ فِيْ كُلِّ مَا هُوَ مِنْ بَابِ التَّكْرِيْمِ وَعَنهَا، قَالَتْ: كَانَتْ يَدُ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم اليُمْنَى لِطُهُورِهِ وَطَعَامِهِ، وَكَانَتِ الْيُسْرَى لِخَلائِهِ وَمَا كَانَ مِنْ أذَىً . حديث صحيح، رواه أَبُو داود وغيره بإسنادٍ صحيحٍ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ডান হাত তাঁর ওযূ ও আহারের জন্য ব্যবহার হত এবং বাম হাত তাঁর পেশাব-পায়খানা ও নোংরা স্পর্শ করার সব ক্ষেত্রে ব্যবহার হত।’ (হাদীসটি বিশুদ্ধ, আবূ দাঊদ প্রভৃতি বিশুদ্ধ সূত্রে) [2]

بَابُ اِسْتِحْبَابِ تَقْدِيْمِ اليَمِيْنِ فِيْ كُلِّ مَا هُوَ مِنْ بَابِ التَّكْرِيْمِ وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: « إِذَا انْتَعَلَ أحَدُكُمْ فَلْيَبْدَأْ بِالْيُمْنَى، وَإِذَا نَزَعَ فَلْيَبْدأْ بِالشِّمَالِ . لِتَكُنْ اليُمْنَى أوَّلَهُمَا تُنْعَلُ، وَآخِرُهُمَا تُنْزَعُ ». متفقٌ عَلَيْهِ
আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘কেউ যখন জুতা পরবে, তখন সে যেন ডান পা দিয়ে শুরু করে। আর যখন খুলবে, তখন সে যেন বাম পা দিয়ে শুরু করে। ডান পায়ের জুতা যেন আগে পরা হয় এবং পরে খোলা হয়।’’ (বুখারী, মুসলিম) [3]

بَابُ اِسْتِحْبَابِ تَقْدِيْمِ اليَمِيْنِ فِيْ كُلِّ مَا هُوَ مِنْ بَابِ التَّكْرِيْمِ وَعَن حَفصَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم كَانَ يَجعَلُ يَمِينَهُ لطَعَامِهِ وَشَرَابِهِ وَثِيَابِهِ، وَيَجْعَلُ يَسَارَهُ لِمَا سِوَى ذَلِكَ . رواه أَبُو داود والترمذي وغيره
আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘তোমরা কাপড় পরিধান করার সময় ও ওযূ করার সময় তোমাদের ডান দিক থেকে আর‎ম্ভ কর।’’ (আবূ দাঊদ তিরমিযী, সহীহ সূত্রে)[4]

[1] সহীহুল বুখারী ১৬৮, ৪২৬, ৫৩৮০, ৫৮৫৪, ৫৯২৬, মুসলিম ২৬৮, তিরমিযী ৬০৮, ৪২১, নাসায়ী ৫২৪০, আবূ দাউদ ৪১৪০, ইবনু মাজাহ ৪০১ , আহমাদ ২৪১০৬, ২৪৪৬৯, ২৪৬২০, ২৪৭৯৩ ২৪৮৪৫ , ২৫০১৮, ২৫১৩৬, ২৫৭৫১ হাদিসের মানঃ সহিহ
[2] আবূ দাউদ ৩৩, আহমাদ ২৪৭৯৩ হাদিসের মানঃ সহিহ
[3] সহীহুল বুখারী ৫৮৫৬, মুসলিম ২০৯৭, তিরমিযী ১৭৭৯, আবূ দাউদ ৪১৩৯, ইবনু মাজাহ ৩৬১৬, আহমাদ ৭১৩৯, ৭৩০২, ৭৭৫৩, ৯০৫১, ৯২৭৩, ৯৬৭৭, ৯৮৩৩, ১০০৮০, মুওয়াত্তা মালেক ১৭০২ হাদিসের মানঃ সহিহ
[4] আবূ দাউদ ৪১৪১, ইবনু মাজাহ ৪০২, আহমাদ ৪৮৩৮ হাদিসের মানঃ সহিহ
ডানদিক থেকে কাজ শুরু করা,

সূরা আল হাশর:7 - রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা। সূরা মুহাম্মদ:33 - হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।


Aug 13, 2017

সহনশীলতা, ধীর স্থিরতা ও কোমলতার গুরুত্ব, মানুষের সাথে ভাল ব্যবহার করার ফযিলত,

Posted On 5:59:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


সহনশীলতা, ধীর-স্থিরতা ও কোমলতার গুরুত্বঃ

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ وَٱلۡكَٰظِمِينَ ٱلۡغَيۡظَ وَٱلۡعَافِينَ عَنِ ٱلنَّاسِۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلۡمُحۡسِنِينَ﴾ [ال عمران: ١٣٤]

অর্থাৎ “(সেই ধর্মভীরুদের জন্য বেহেশত প্রস্তুত রাখা হয়েছে যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় দান করে,) ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে থাকে। আর আল্লাহ (বিশুদ্ধচিত্ত) সৎকর্মশীলদেরকে ভালবাসেন।” (সূরা আলে ইমরান ১৩৪ আয়াত)

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ خُذِ ٱلۡعَفۡوَ وَأۡمُرۡ بِٱلۡعُرۡفِ وَأَعۡرِضۡ عَنِ ٱلۡجَٰهِلِينَ ١٩٩ ﴾ [الاعراف: ١٩٩]

অর্থাৎ “তুমি ক্ষমাশীলতার নীতি অবলম্বন কর, সৎকাজের নির্দেশ দাও এবং মূর্খদেরকে এড়িয়ে চল।” (সূরা আ’রাফ ১৯৯ আয়াত)

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ وَلَا تَسۡتَوِي ٱلۡحَسَنَةُ وَلَا ٱلسَّيِّئَةُۚ ٱدۡفَعۡ بِٱلَّتِي هِيَ أَحۡسَنُ فَإِذَا ٱلَّذِي بَيۡنَكَ وَبَيۡنَهُۥ عَدَٰوَةٞ كَأَنَّهُۥ وَلِيٌّ حَمِيمٞ ٣٤ وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ٱلَّذِينَ صَبَرُواْ وَمَا يُلَقَّىٰهَآ إِلَّا ذُو حَظٍّ عَظِيمٖ ٣٥ ﴾ [فصلت: ٣٤،  ٣٥]

অর্থাৎ “ভাল ও মন্দ সমান হতে পারে না। উৎকৃষ্ট দ্বারা মন্দ প্রতিহত কর; তাহলে যাদের সাথে তোমার শত্রুতা আছে, সে হয়ে যাবে অন্তরঙ্গ বন্ধুর মত। এ চরিত্রের অধিকারী কেবল তারাই হয় যারা ধৈর্যশীল, এ চরিত্রের অধিকারী তারাই হয়, যারা মহাভাগ্যবান। যদি শয়তানের কুমন্ত্রণা তোমাকে প্ররোচিত করে, তবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা কর। নিশ্চয় তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।” (সূরা হা-মীম সাজদাহ ৩৪-৩৬ আয়াত)

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ وَلَمَن صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمِنۡ عَزۡمِ ٱلۡأُمُورِ ٤٣ ﴾ [الشورا: ٤٣]

অর্থাৎ “অবশ্যই যে ধৈর্য ধারণ করে এবং ক্ষমা করে, নিশ্চয় তা দৃঢ়-সংকল্পের কাজ।” (সূরা শূরা ৪৩ আয়াত)

بَابُ الْحِلْمِ وَالْأَنَاةَِ وَالْرِّفْقِ وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ِلأَشَجِّ عَبْدِ القَيْسِ: « إِنَّ فِيكَ خَصْلَتَيْنِ يُحِبُّهُمَا اللهُ: الْحِلْمُ وَالأنَاةُ ». رواه مسلم
ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশাজ্জ্ আব্দুল কায়েসকে বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় তোমার মধ্যে এমন দু’টি স্বভাব রয়েছে যা আল্লাহ পছন্দ করেন; সহনশীলতা ও চিন্তা-ভাবনা করে কাজ করা।’’ (মুসলিম) [1]

بَابُ الْحِلْمِ وَالْأَنَاةَِ وَالْرِّفْقِ وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَت: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «إِنَّ اللهَ رَفِيقٌ يُحِبُّ الرِّفْقَ فِي الأَمْرِ كُلِّه ». متفقٌ عَلَيْهِ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা কোমল; তিনি প্রত্যেকটি ব্যাপারে কোমলতা ও নম্রতাকে ভালবাসেন।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [2]

بَابُ الْحِلْمِ وَالْأَنَاةَِ وَالْرِّفْقِ وَعَنهَا: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: « إنَّ اللهَ رَفِيقٌ يُحِبُّ الرِّفقَ، وَيُعْطِي عَلَى الرِّفقِ، مَا لاَ يُعْطِي عَلَى العُنْفِ، وَمَا لاَ يُعْطِي عَلَى مَا سِوَاهُ ». رواه مسلم
উক্ত বর্ণনাকারিণী থেকেই বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় মহান আল্লাহ নম্র, তিনি নম্রতাকে ভালবাসেন। তিনি নম্রতার উপরে যা দেন তা তিনি কঠোরতা এবং অন্য কোন জিনিসের উপর দেন না।’’ (মুসলিম) [3]
بَابُ الْحِلْمِ وَالْأَنَاةَِ وَالْرِّفْقِ وَعَن جَرِيرِ بنِ عبدِ اللهِ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: « مَنْ يُحْرَمِ الرِفْقَ، يُحْرَمِ الخَيْرَ كلَّهُ ». رواه مسلم
জারীর ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘যাকে নম্রতা থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাকে সমস্ত মঙ্গল থেকে বঞ্চিত করে দেওয়া হয়।’’ (মুসলিম) [4]

بَابُ الْحِلْمِ وَالْأَنَاةَِ وَالْرِّفْقِ وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أنَّ رَجُلاً قَالَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: أَوْصِنِي . قَالَ: «لاَ تَغْضَبْ »، فَرَدَّدَ مِرَاراً، قَالَ: « لاَ تَغْضَبْ ». رواه البخاري
আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল, ‘আপনি আমাকে কিছু অসিয়ত করুন!’ তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তুমি রাগান্বিত হয়ো না।’’ সে ব্যক্তি এ কথাটি কয়েকবার বলল। তিনি (প্রত্যেক বারেই একই কথা) বললেন, ‘‘তুমি রাগান্বিত হয়ো না।’’ (বুখারী)  [5]

بَابُ الْحِلْمِ وَالْأَنَاةَِ وَالْرِّفْقِ وَعَنِ ابنِ مَسعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: ألاَ أُخْبِرُكُمْ بِمَنْ يَحْرُمُ عَلَى النَّار ؟ أَوْ بِمَنْ تَحْرُمُ عَلَيْهِ النَّار ؟ تَحْرُمُ عَلَى كُلِّ قَرِيبٍ، هَيّنٍ، لَيِّنٍ، سَهْلٍ رواه الترمذي، وقال:حديث حسن
ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আমি কি তোমাদেরকে সে সমস্ত লোক সম্পর্কে বলব না, যারা জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম অথবা যাদের জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম? এ (আগুন) প্রত্যেক ঐ ব্যক্তির জন্য হারাম হবে, যে মানুষের নিকটবর্তী, নমর, সহজ ও সরল।’’ (তিরমিযী, হাসান সূত্রে) [6]
[1] সহীহুল বুখারী ৫৩, মুসলিম ১৭, তিরমিযী ১৫৯৯, ২৬১১, নাসায়ী ৫০৩১, ৫৫৪৮, ৫৬৪৩, ৫৬৯২, আবূ দাউদ ৩৬৯০, ৩৬৯২, ৩৬৯৬, ৪৬৭৭, আহমাদ ২০১০, ২৪৭২, ২৬৪৫, ২৭৬৪, ৩১৫৬, ৩৩৯৬ হাদিসের মানঃ সহিহ
[2] সহীহুল বুখারী ৬৯২৭, ২৯৩৫, ৬০২৪, ৬০৩০, ৬২৫৬, ৬৩৯৫, ৬৪০১, মুসলিম ২১৬৫, তিরমিযী ২৭০১, ইবনু মাজাহ ৩৬৯৮, আহমাদ ২৩৫৭০, ২৪০৩২, ২৪২৩০, ২৪৫০৮, ২৫০১৫, ২৫৩৯৩, দারেমী ২৭৯৪ হাদিসের মানঃ সহিহ
[3] সহীহুল বুখারী ৬৯২৭, মুসলিম ২৫৯৩, তিরমিযী ২৭০১, আহমাদ ২৩৫৭০, ২৪০৩২ হাদিসের মানঃ সহিহ
[4] মুসলিম ২৫৯২, আবূ দাউদ ৪৮০৯, ইবনু মাজাহ ৩৬৮৭, আহমাদ ২৭৮২৯, ১৮৭৬৭ হাদিসের মানঃ সহিহ
[5] সহীহুল বুখারী ৬১১৬, তিরমিযী ২০২০, আহমাদ ২৭৩১১, ৯৬৮২ হাদিসের মানঃ সহিহ
[6] তিরমিযী ২৪৮৮, আহমাদ ৩৯২৮ হাদিসের মানঃ হাসান

সহনশীলতা, ধীর স্থিরতার গুরুত্ব,

সূরা আল হাশর:7 - রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা। সূরা মুহাম্মদ:33 - হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।


ন্যায়পরায়ন শাসকের মর্যাদা, ন্যায়পরায়ন শাসকের মহাত্ম্য,

Posted On 5:47:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


ন্যায়পরায়ণ শাসকের মাহাত্ম্যঃ

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ إِنَّ ٱللَّهَ يَأۡمُرُ بِٱلۡعَدۡلِ وَٱلۡإِحۡسَٰنِ ﴾ [النحل: ٩٠]

অর্থাৎ “নিশ্চয় আল্লাহ ন্যায়পরায়ণতা ও সদাচরণের নির্দেশ দেন---।” (সূরা নাহ্‌ল ৯০ আয়াত)

তিনি অন্য জায়গায় বলেন,

﴿ وَأَقۡسِطُوٓاْۖ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلۡمُقۡسِطِينَ﴾ [الحجرات: ٩]

অর্থাৎ “সুবিচার কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ সুবিচারকারীদেরকে ভালবাসেন।” (সূরা হুজুরাত ৩৮১ আয়াত)

بَابُ الْوَالِي الْعَادِلِ وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، عن النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: سَبْعَةٌ يُظِلُّهُمُ اللهُ في ظِلِّهِ يَوْمَ لاَ ظِلَّ إلاَّ ظِلُّهُ: إمَامٌ عَادِلٌ، وَشَابٌّ نَشَأ في عِبَادَةِ الله - عز وجل -، وَرَجُلٌ قَلْبُهُ مُعَلَّقٌ بِالمَسَاجِدِ، وَرَجُلاَنِ تَحَابّا في اللهِ اجْتَمَعَا عَلَيهِ وتَفَرَّقَا عَلَيهِ، وَرَجُلٌ دَعَتْهُ امْرَأةٌ ذَاتُ مَنصَبٍ وَجَمَالٍ، فَقَالَ: إنِّي أخَافُ الله، وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ، فَأخْفَاهَا حَتَّى لاَ تَعْلَمَ شِمَالُهُ مَا تُنْفِقُ يَمِينُهُ، وَرَجُلٌ ذَكَرَ الله خَالِياً فَفَاضَتْ عَيْنَاهُ ». مُتَّفَقٌ عَلَيهِ .
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা সাত ব্যক্তিকে সেই দিনে তাঁর (আরশের) ছায়া দান করবেন যেদিন তাঁর ছায়া ব্যতীত আর  কোন ছায়া থাকবে না; (তারা হল,) ন্যায় পরায়ণ বাদশাহ (রাষ্ট্রনেতা), সেই যুবক যার যৌবন আল্লাহ আয্যা অজাল্লার ইবাদতে অতিবাহিত হয়, সেই ব্যক্তি যার অন্তর মসজিদসমূহের সাথে লটকে থাকে (মসজিদের প্রতি তার মন সদা আকৃষ্ট থাকে।) সেই দুই ব্যক্তি যারা আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের উদ্দেশ্যে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা স্থাপন করে; যারা এই ভালোবাসার উপর মিলিত হয় এবং এই ভালোবাসার উপরেই চিরবিচ্ছিন্ন (তাদের মৃত্যু) হয়। সেই ব্যক্তি যাকে কোন কুলকামিনী সুন্দরী (অবৈধ যৌন-মিলনের উদ্দেশ্যে) আহবান করে, কিন্তু সে বলে, ‘আমি আল্লাহকে ভয় করি।’ সেই ব্যক্তি যে দান করে গোপন করে; এমনকি তার ডান হাত যা প্রদান করে, তা তার বাম হাত পর্যন্তও জানতে পারে না। আর সেই ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহকে স্মরণ করে; ফলে তার উভয় চোখে পানি বয়ে যায়।’’ (বুখারী-মুসলিম) [1]

بَابُ الْوَالِي الْعَادِلِ وَعَن عَبدِ اللهِ بنِ عَمرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «إنَّ المُقْسِطِينَ عِنْدَ اللهِ عَلَى مَنَابِرَ مِنْ نُورٍ: الَّذِينَ يَعْدِلُونَ في حُكْمِهِمْ وأَهْلِيْهِم وَمَا وَلُوْا ». رواه مسلم
আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয় ন্যায় বিচারকরা আল্লাহর নিকট জ্যোতির মিম্বরের উপর অবস্থান করবে। যারা তাদের বিচারে এবং তাদের গৃহবাসীদের মধ্যে ও যে সমস্ত কাজে তারা দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছে, তাতে তারা ইনসাফ করে’’ (মুসলিম) [2]

بَابُ الْوَالِي الْعَادِلِ وَعَن عِياضِ بن حِمارٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: « أهلُ الجَنَّةِ ثَلاَثَةٌ: ذُو سُلطَانٍ مُقْسِطٌ مُوَفَّقٌ، وَرَجُلٌ رَحيمٌ رَقِيقُ القَلْبِ لكُلِّ ذي قُرْبَى ومُسْلِمٍ، وعَفِيفٌ مُتَعَفِّفٌ ذُو عِيالٍ». رواه مسلم
ইয়াদ্ব ইবনে হিমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘জান্নাতী তিন প্রকার।
(১) ন্যায়পরায়ণ বাদশাহ, যাকে ভাল কাজ করার তওফীক দেওয়া হয়েছে।
(২) ঐ ব্যক্তি যে প্রত্যেক আত্মীয়-স্বজন ও মুসলিমের প্রতি দয়ালু ও নমর-হৃদয় এবং
(৩) সেই ব্যক্তি যে বহু সন্তানের (গরীব) পিতা হওয়া সত্ত্বেও হারাম ও ভিক্ষাবৃত্তি থেকে দূরে থাকে। (মুসলিম) [3]

بَابُ الْوَالِي الْعَادِلِ وَعَن عَوفِ بنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: خِيَارُ أَئِمَّتِكُمُ الَّذِينَ تُحِبُّونَهُمْ وَيُحِبُّونَكُمْ، وَتُصَلُّونَ عَلَيْهِمْ وَيُصَلُّونَ عَلَيْكُمْ . وشِرَارُ أئِمَّتِكُم الَّذِينَ تُبْغِضُونَهُمْ وَيُبْغِضُونَكُمْ، وَتَلعَنُونَهُمْ وَيَلْعَنُونَكُمْ، قَالَ: قُلْنَا: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، أفَلاَ نُنَابِذُهُم ؟ قَالَ: لاَ، مَا أقَامُوا فِيْكُمُ الصَّلاَةَ . لاَ، مَا أقَامُوا فِيكُمُ الصَّلاَةَ . رواه مسلم
আওফ ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘তোমাদের সর্বোৎকৃষ্ট শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ভালবাস এবং তারাও তোমাদেরকে ভালবাসে, তোমরা তাদের জন্য দো‘আ কর এবং তারাও তোমাদের জন্য দো‘আ করে। আর তোমাদের নিকৃষ্টতম শাসকবৃন্দ তারা, যাদেরকে তোমরা ঘৃণা কর এবং তারাও তোমাদেরকে ঘৃণা করে, তোমরা তাদেরকে অভিশাপ কর এবং তারাও তোমাদেরকে অভিশাপ করে।’’ (বর্ণনাকারী) বলেন, আমরা বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করব না?’ তিনি বললেন, ‘‘না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে নামায প্রতিষ্ঠা করবে। না, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে নামায প্রতিষ্ঠা করবে।’’ (মুসলিম) [4]
[1] সহীহুল বুখারী ৬৬০, ১৪২৩, ৬৪৭৯, ৬৮০৬, মুসলিম ১০৩১, তিরমিযী ২৩৯১, নাসায়ী ৫৩৮০, আহমাদ ৯৩৭৩, মুওয়াত্তা মালিক ১৭৭৭ হাদিসের মানঃ সহিহ
[2] মুসলিম ১৮২৭, নাসায়ী ৫৩৭৯, আহমাদ ৬৪৪৯, ৬৪৫৬, ৬৮৫৮ হাদিসের মানঃ সহিহ
[3] মুসলিম ২৮৬৫, আবূ দাউদ ৪৮৯৫, ইবনু মাজাহ ৪১৭৯, আহমাদ ১৭০৩০, ১৭৮৭৪ হাদিসের মানঃ সহিহ
[4] মুসলিম ১৮৫৫, আহমাদ ২৩৪৬১, ২৩৪৭৯, দারেমী ২৭৯৭ হাদিসের মানঃ সহিহ
ন্যায়পরায়ন শাসকের মর্যাদা,

সূরা আল হাশর:7 - রসূল তোমাদেরকে যা দেন, তা গ্রহণ কর এবং যা নিষেধ করেন, তা থেকে বিরত থাক এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা। সূরা মুহাম্মদ:33 - হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর, রসূলের (সাঃ) আনুগত্য কর এবং নিজেদের কর্ম বিনষ্ট করো না।


ভাল কথা বলার গুরুত্ব, ভাল কথা বলার ফযিলত, ভাল কথা বলার উপকারিতা,

Posted On 5:33:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


মিষ্টি কথা বলা এবং হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার গুরুত্বঃ


ছিনতাই করার ভয়াবহতা, লুটতরাজ ছিনতাই করার পরিনতি, লুটপাট করার ভয়াবহতা,

Posted On 2:47:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


অন্যায়-অত্যাচার করা হারাম এবং অন্যায়ভাবে নেওয়া জিনিস ফেরৎ দেওয়া জরুরীঃ


সৎ চরিত্রের গুনাবলি, উওম চরিত্রের মর্যাদা, আদর্শবান পুরুষের বৈশিষ্ট,

Posted On 2:32:00 PM by islam k janun | 0 মন্তব্য(গুলি)


সচ্চরিত্রতার মাহাত্ম্যঃ


Recent Post

Popular Posts

Blog Archive

 

islam k janun Copyright © 2010 LKart Theme is Designed by Lasantha